TOP 5 : ৫ বলার যারা ওডিআই বিশ্বকাপে নিতে পারেন জসপ্রিত বুমরাহের জায়গা !!

0
0
5 who can take Jasprit Bumrah's place in ODI World Cup
5 who can take Jasprit Bumrah's place in ODI World Cup

২২.৪৮ গড়ে ভারতের হয়ে ৩১৯ টি আন্তর্জাতিক উইকেট নিয়ে, ভারতের সেরা পেসারদের মধ্যে জসপ্রিত বুমরাহ একজন। ইংল্যান্ডের মাটিতে তার সেরা বোলিং ৬/১৯ প্রমাণ করেছিল যে বিদেশের মাটিতেও তিনি রত্ন পাথর। বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার সাথে , জসপ্রিত বুমরাহও হলেন একমাত্র বলার যিনি দখল করেছেন বিসিসিআই-এর সর্বোচ্চ বেতনের পার্স (গ্রেড এ)। তবে গত বছর থেকেই পিঠের চোট পাওয়ার কারণে মাঠের বাইরে রেখেছে জসপ্রিত বুমরাহকে।

তিনি অনুপস্থিত ছিলেন এশিয়া কাপ 2022 , ICC T20 বিশ্বকাপ 2022, এবং চলমান বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি 2023-এ। তার অনুপস্থিতিতে, টিম ইন্ডিয়া জন্য অন্যান্য অনেক বোলার তাদের অসাধারণ বোলিং আক্রমণে মুগ্ধ করেছে। আমরা এখানে এমন পাঁচজন ভালো প্রেসারের কথা বলছি যারা জসপ্রিত বুমরাহের থেকে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য। জসপ্রিত বুমরাহের থেকে ৫ জন ভালো পেসার যারা ভারতীয় ক্রিকেট দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য

৫. উমরান মালিক

এই তালিকার প্রথম খেলোয়াড় হলেন উমরান মালিক। জসপ্রিত বুমরাহের অনুপস্থিতিতে যদিও সাম্প্রতিক সিরিজে উমরান মালিক অনেক সুযোগ পেয়েছেন। তবে বর্তমানে দলের স্থায়ী কোন পেসার নন এই ডান হাতি পেসার। সংক্ষিপ্ত তম ফরম্যাটে ব্যয়বহুল ভাবে তিনি আবির্ভূত হওয়ার পরে, গত বছর তাকে খুব বেশি সুযোগ দেওয়া হয়নি।

তবে এই ডানহাতি পেসার সাম্প্রতিক ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়েছেন। ভারতীয় স্পিডস্টার যথাক্রমে ১৩টি এবং ১১টি উইকেট শিকার করেছেন ৮টি ওডিআই এবং ৮টি টি-টোয়েন্টি মিলে। তার ওডিআই গড় হল ২৭.৩১ এবং ২২.০৯ হলো তার টি-টোয়েন্টি গড়। সাদা বল-ফরম্যাটে উভয় ক্ষেত্রেই এখনো পর্যন্ত আটটি ম্যাচে এত ভালোভাবে শুরু করার পরে, জসপ্রিত বুমরাহের থেকে তিনি একজন ভালো পেসার যিনি তিনটি ফরম্যাটেই স্থায়ী ভিত্তিতে সুযোগ পাওয়ার দাবিদার।

৪. টি নটরাজন

আরো একজন পেসার হলেন টি নটরাজন তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০২০ সালে ডিসেম্বর মাসে বিপাক্ষিক সিরিজ চলাকালীন আহত হয়েছিলেন বেশিরভাগ পেসার, আন্তর্জাতিক অভিষেকের সুযোগ পেয়েছিলেন টি নটরাজন। তিনি সম্পূর্ণ উজ্জ্বল ছিলেন তার পারফরম্যান্সে।

বাঁহাতি এই পেসার একমাত্র টেস্টে তিনটি উইকেট নিয়েছেন, দুটি ওয়ানডে মিলিয়ে নিয়েছেন তিনটি উইকেট এবং চারটি টি-টোয়েন্টি মিলে সাতটি স্ক্যাল্প শিকার করেছেন। যাই হোক, ২০২১ সালের মার্চ মাসের পর তিনি আর ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি। তিনি গত কয়েক মরশুমে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে আইপিএলে ধারাবাহিক পারফর্মার হয়েছেন।

৩. নবদীপ সাইনি

জসপ্রিত বুমরাহের থেকে আরো একজন ভালো পেসার হলেন নভদীপ সাইনি এবং ভারতীয় ক্রিকেট দলের জায়গা পাওয়ার যোগ্য। এই ডানহাতি পেসার ভারতের হয়ে অতীতে খেলেছেন। ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত টিম ইন্ডিয়ার হয়ে তিনি ২টি টেস্ট ম্যাচ, ৮টি ওডিআই এবং ১১টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।

তিনি টেস্টে চারটি উইকেট নিয়েছেন, ওয়ানডেতে ছয়টি স্ক্যাল্প নিয়েছেন এবং ১৩ টি ডিসমিসাল নিয়েছেন টি-টোয়েন্টিতে। টেস্টে তিনি মাত্র ৬.৮৭ এবং ওয়ানডেতে তিনি বোলিং করেছেন ৭.১৬ এর একটি দুর্দান্ত ইকোনমিতে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এত ভালো পরিসংখ্যান করার পরে, ভারতীয় দলের জন্য সাইনি একজন যোগ্য পেসার এবং তার আরো সুযোগের প্রয়োজন আছে।

২. উমেশ যাদব

আরো একজন পেসার হলেন উমেশ যাদব তিনি জসপ্রিত বুমরাহের থেকে ভালো পেসার এবং ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা আছে। সাম্প্রতিক তার আউট হয়ে যাওয়াতে, চিত্তাকর্ষক ছিল যাদব। আইপিএল ২০২২-এ তিনি ভালো পারফরম্যান্স দিয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে।

পরে টেস্টে তাকে সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি ২০২২ সালে ৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন এবং ৬টি ইনিংস মিলে নিয়েছিলেন ৯টি উইকেট এবং তার গড় সংখ্যা ছিল ২৪.১১। টেস্টের সুযোগ পেলেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে। গত বছরের পর তার সুযোগ পাওয়া উচিত সাদা বলের ফরম্যাটে।

১. ভুবনেশ্বর কুমার

এই তালিকার আরো একজন পেসার হলেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২০২২ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই ডানহাতি পেসার জাতীয় দলের নিয়মিত অংশ ছিলেন। টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের কাছে ভারত সেমিফাইনালে ১০ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কুমারের স্থবির হয়ে পড়ে।

এরপর তিনি আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি। আমরা কুমারের পারফরম্যান্সের দিকে যদি তাকাই, গত বছর তিনি একাধিক ম্যান অফ দ্য সিরিজ এবং ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি ২০২২ সালে দুটি ওয়ানডেতে কোন উইকেট নিতে পারেননি কিন্তু ভারতের হয়ে ৩২ টি২০ ম্যাচ খেলায় তিনি ৩৭ টি স্ক্যাল্প শিকার করেছেন, তার গড় সংখ্যা ছিল ১৯.৫৬ এবং তার ইকোনমি রেট ছিল ৬.৯৮।