সেমিফাইনাল জিতে টানা ৮ম বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

২০২২ এর অক্টোবরে বাংলাদেশে আয়োজিত মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে, হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে। প্রথম সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডকে ৭৪ রানে হারিয়েছে ভারত। এটি এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টের অষ্টম তম আসর এবং ভারতীয় মহিলা দল এশিয়া কাপে প্রতিবারই ফাইনালে পৌঁছেছে এবং ছয় বার জিত অর্জন করেছে।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত কুড়ি ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৮ রান তোলে। ওপেনার ব্যাটসম্যান শেফালি ভর্মা সর্বোচ্চ ৪২ রানের অবদান রাখেন। শেফালি ভর্মা ২৮ বলে পাঁচটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৪২ রান করেন। হরমনপ্রীতও ৩০ বলে চারটি ৪ এর সাহায্যে ৩৬ রান করেন। জবাবে থাইল্যান্ডের দল কুড়ি ওভার ৯ উইকেট খুইয়ে ৭৪ রান করতে পারে। অফ স্পিনার দীপ্তি শর্মা ৭ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন।

ভারতের দেওয়া ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাচে থাইল্যান্ডের দল কখনোই লড়াইয়ে ছিল না। তৃতীয় ওভারে নানপাট কে আউট করেন দীপ্তি শর্মা। তিনি করেন ১০ বলে ৫ রান। এরপর দীপ্তিও আউট করেন নাথকান চ্যান্টাম (৪) ও সোরানারিনকে (৪)। চানিন্দা সাথিরুয়াং এক রান করে ভারতীয় ফাস্ট বোলার রেনুকা সিংয়ের বলে বোল্ড হন।

১০ ওভার শেষে থাইল্যান্ড দলের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৩৩ রানের। শেষ পর্যন্ত দলটি নয় উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ৭৪ রান করতে পারে। বাঁহাতি স্পিনার রাজেশ্বরী গায়কওয়াড়ও চার ওভারে ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন। থাইল্যান্ড দলে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন অধিনায়ক নরুমল চেইওয়েই। নাটায়া বোচাথামও ২১ রানে অবদান রাখেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম উইকেটে ৩৮ রান যোগ করেন স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালী। মান্ধানা ১৪ বলে ১৩ রান করে আউট হন। ২৮ বলে ৪২ রান করে আউট হন শেফালি। জেমিমা রদ্রিগেজ ২৬ বলে ২৭ এবং হরমনপ্রীত কৌর ৩০ বলে ৩৬ রান অবদান রাখেন। তের বলে ১৭ রান করে পূজা ভাস্ত্রকার নট আউট থাকেন। অফ-স্পিনার সোনারিন টিপোচ ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন।

এর আগে ভারতীয় দল ২০০৪, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৮, ২০১২ এবং ২০১৬ সালে এই মোট ছয় বার এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে। তারা ২০১৮ সালের ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে হেরে যান। ভারতীয় মহিলা দল ২০১২ এবং ২০১৬ সালের ফাইনালে পাকিস্তানের মহিলা দলকে হারিয়েছিল। যেকোনো পরিস্থিতিতে ২০২২ এশিয়া কাপে এই রেকর্ড বজায় রাখতে চাইবেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর।

Leave a Comment