বর্তমানে, ২০২৬ সালের T20 বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যেই, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়েছে ভারত। তবে, ২০২৮ সালের অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এটা ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় খুশির খবর।
অনেক বছর পর পুনরায় অলিম্পিকে চান্স পেয়েছে ক্রিকেট। সূত্রের খবর অনুযায়ী, নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সীমিত সংখ্যক দলের কারণে অলিম্পিকে জায়গা পেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পাকিস্তান। যদিও, এশিয়া থেকে অংশগ্রহণকারী সবথেকে শীর্ষস্থানীয় দল হিসেবে এগিয়ে আছে ভারত।
অলিম্পিকে ক্রিকেট এবং নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া
দীর্ঘ ১২৮ বছর পর, অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শেষবার ১৯০০ সালে অলিম্পিকে সামিল ছিল ক্রিকেট। এবার, লস এঞ্জেলেসে ২০২৮ সালের অলিম্পিক গেমসে পুনরায় ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে। এই টুর্নামেন্টে মোট ৬টি দল অংশগ্রহণ করতে চলেছে। আয়োজক দেশ হিসেবে চান্স পাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ওদিকে, প্রতিটি মহাদেশ থেকে একটি করে দেশকে সুযোগ দেওয়া হবে। এশিয়া মহাদেশ থেকে ভারত, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপ থেকে গ্রেট ব্রিটেন, ওশিয়ানিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং অন্য এক মহাদেশ থেকে একটি দলকে ২০২৮-এর অলিম্পিকে সামিল করা হবে।
বাড়লো পাকিস্তানের অসুবিধা

এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ভালো পারফর্মকারী সবথেকে সেরা দল হলো ভারত। শর্ত অনুযায়ী, মহাদেশের সবথেকে সেরা দল অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পাবে। ওদিকে, পাকিস্তানের খারাপ পারফরমেন্স তাদের র্যাংকিংয়ে প্রভাব ফেলেছে। যেহেতু, শুধুমাত্র ৬টি দলকে সুযোগ দেওয়া হবে সেই জন্য পাকিস্তানের পক্ষে অলিম্পিকে সামিল হওয়া খুবই কঠিন।
অলিম্পিকে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল

গত কয়েক বছর ধরে ওডিআই এবং T20 ফরম্যাটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে চলেছে ভারত। শক্তিশালী বোলিং এবং ব্যাটিং লাইনআপ টিম ইন্ডিয়াকে আরও ভারসাম্য প্রদান করে। এরফলে, এশিয়ার সবথেকে সেরা দলের র্যাংকিংয়ে এগিয়ে আছে ভারত।
টিম ইন্ডিয়ার এরকম পারফরমেন্স অব্যাহত থাকলে আসন্ন অলিম্পিকে অংশগ্রহণের পাশাপাশি স্বর্ণ পদক জয়ের প্রবল দাবিদার হিসেবে উঠে আসবে ভারত, যা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি চমকপ্রদ এবং গর্বের ব্যাপার হবে।
