শামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার দাবিতে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ স্ত্রী হাসিন জাহান !!

মহম্মদ শামি হলেন ভারতীয় সিনিয়র দলের অন্যতম সেরা পেসার। বর্তমানে আইপিএল খেলতে ব্যস্ত ভারতীয় তারকা পেসার। তিনি এই মুহূর্তে গুজরাট টাইটান্স দলের হয়ে খেলছেন। চলতি আইপিএলে মোটের উপর মহম্মদ শামির ধারাবাহিক পারফরম্যান্স রয়েছে। এতকিছুর পরেও আবারো মহম্মদ শামি সমস্যায় জড়াতে চলেছেন। এবার তিনি আইনি বিপাকে পড়তে পারেন স্ত্রী হাসিন জাহানের কারণে। স্ত্রী হাসিন জাহান সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন শামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আর্জি নিয়ে!

শামির গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের সেশন্স কোর্টের তরফে। এর পাশাপাশি ইতিমধ্যেই হাইকোর্ট শামির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করেছে। ফলে হাসিন জাহান সুবিচার পাননি বলেই মনে হয়েছে। এবার সুবিচারের আশায় তার স্ত্রী হাসিন জাহান সরাসরি মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন। হাসিন অভিযোগ করেছিলেন, ভারতীয় দলের সাথে বিভিন্ন সফরে থাকাকালীন শামি সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন একাধিক মহিলার সাথে। প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে হাসিন স্বেচ্ছাচারিতার পাশাপাশি ব্যভিচারের মারাত্মক অভিযোগ আনেন। লালবাজারে তরফ থেকে এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পেসারের একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এক মামলার রায় ২০১৯ সালে শামির বিরুদ্ধে আলিপুর আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করে। পরবর্তীতে শামি এই রায়ের বিরুদ্ধে অ্যাপিল করেছিলেন। সেই অ্যাপিলে তার পক্ষেই রায় ছিল। আদালতের তরফ থেকে শামির গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করা হয়।

হাসিনের করা শামির বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ খারিজ হয়ে যায়। এরপর হাসিন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই বহাল রাখে হাইকোর্ট। এর ফলে এবার কিছুটা বাধ্য হয়েই হাসিন সরাসরি স্পেশাল পিটিশন লিভের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই মামলায় শামি তারকা হওয়ার কোন সুযোগ-সুবিধা যাতে না পান, এই স্পেশ্যাল পিটিশনে সেই বিষয়েও উল্লেখ করা হয়।

অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ শামি শুরু থেকেই অস্বীকার করেছেন। এখনো দম্পতির মেয়ে আইরা হাসিনের সাথেই থাকেন। একটা সময়ে হাসিন আদালতে দাবি করেছিলেন, আদালতে শামি তার সঠিক আয় না দেখিয়ে বিভ্রান্ত করেছে আদালতকে। এর ফলে যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হয় তাকে। শামির বিরুদ্ধে করা হাসিনের মামলার সময়কাল চার বছর পেরিয়ে গিয়েছে। তবে মামলার অগ্রগতি ঠিক তেমন হয়নি।