সিরাজের পর দীপ্তি – ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন ‘ডিএসপি’ সেনসেশন !

ভারতীয় ক্রিকেটে “ডিএসপি” নামটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায়, কারণ টিম ইন্ডিয়ার তারকা পেসার মহম্মদ সিরাজ এই পদেই কর্মরত। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রে আরেক ডিএসপি — দীপ্তি…

pro imresizer

ভারতীয় ক্রিকেটে “ডিএসপি” নামটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায়, কারণ টিম ইন্ডিয়ার তারকা পেসার মহম্মদ সিরাজ এই পদেই কর্মরত। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রে আরেক ডিএসপি — দীপ্তি শর্মা (Deepti Sharma)। তাঁর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ভারতীয় মহিলা দল জিতেছে বিশ্বকাপ, আর গোটা দেশ মেতে উঠেছে “শর্মাজি কি বেটি”-র জয়োৎসবে।

পুরুষদের ক্রিকেটে যেমন ২০১১ সালে যুবরাজ সিং ব্যাট-বলে দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন, তেমনই দীপ্তিও নিজের ছাপ রেখে গেলেন। টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ২২ উইকেট এবং ২০০’র বেশি রান করে ইতিহাস গড়েছেন তিনি — এক সংস্করণে এমন কৃতিত্ব আগে কোনো ক্রিকেটারেরই নেই। ফাইনালে ম্যাচ সেরার পুরস্কার না পেলেও, ব্যাট হাতে অর্ধশতরান ও বল হাতে পাঁচ উইকেট তুলে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

২০১৭ সালে ফাইনালের হারে ভেঙে পড়েননি দীপ্তি। সমালোচনা, প্রশ্নবাণ—সব কিছু উপেক্ষা করে নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর কথায়, “ব্যাটিং বা বোলিং, যা-ই করি না কেন, আমি সেটাকে উপভোগ করি। এই পর্যায়ে এসে ভালো পারফর্ম করতে পারা সত্যিই গর্বের।

বিশ্বকাপের সেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে দীপ্তি এই জয় উৎসর্গ করেছেন তাঁর বাবা-মাকে। আজ তিনি শুধু একজন অলরাউন্ডার নন, এক অনুপ্রেরণার নাম। এতদিন ভারতীয় ক্রিকেটে ‘ডিএসপি’ মানেই সিরাজ, আর ‘শর্মাজি’র সন্তান মানে রোহিত বা অভিষেক।

কিন্তু দীপ্তি শর্মা সেই ধারণা বদলে দিলেন। এখন ভারতের একমাত্র ডিএসপি, যাঁর হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি। তাঁর হাত ধরেই হয়তো বদলে যাবে ভারতীয় সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি—যেখানে নারী ক্রিকেটাররাও দেশের গর্ব বহন করেন সমানভাবে।