আহত সিংহের অনবদ্য এক লড়াই দেখলো ক্রিকেটবিশ্ব, শেষ বলের রোমাঞ্চে দুঃখজনক হারে সিরিজ খোয়াল ভারত

0
1

গত ৭ ই ডিসেম্বর মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভাতরকে (India)৫ রানে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। তাও বাংলাদেশের হাতে থাকলো আরও একটি ম্যাচ। প্রথমে ব্যাটিং করলে বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হেরে যায়– এই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করলো এই ম্যাচ। এমনকি ঐদিন ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশে প্রথম মাঠে নামে। ২৭১ রান করেছিল বাংলাদেশ। ভারতের পারফরম্যান্স বেশ ভালো ছিল। বিশেষতঃ রোহিত শর্মার দূর্দান্ত ব্যাটিং জেতার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয় ভারত।

২৭২ রানের টার্গেট ছিল ভারতের কাছে। কিন্তু প্রথমেই মাঠে নেমে উইকেট হারায় ভারত। ওদিকে ৭ রানে ৬ বলে মাত্র ৫ রান করেন বিরাট কোহলি। কিন্তু শেষপর্যন্ত আউট হয়ে যান কোহলি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে বিরাট কোহলিকে বোল্ড করে বাংলাদশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার এবাদত হোসেন।

তবে বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান ১৩ রানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে আবার দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। এমনকি এই মোস্তাফিজুর ১০ বলে ৮ রান করেই পরাজিত করেন ধাওয়ানকে। ফলে খেলার গতিতে ছেদ পরার সম্ভবনা তৈরি হলেও ওয়াশিংটন এবং ওয়ান ডাউনে নামেন শ্রেয়াস আইয়ার।

সাকিব আলি হাসানও দূর্দান্ত খেলেন। ইনিংসের দশম ওভারের শেষ বলে ওয়াশিংটন সুন্দরকে ফেরান সাকিব। ৩৯ রানে ১৯ বলে ১১ রান করে সাকিবের বলে লিটল দাসকে পরাজিত করেন। লিটল দাসের পরে দিপক চাহার আসে। ইনিংসের ৪৩ তম ওভারে দূর্দান্ত বোলিং করেন সাকিব আল হাসান। এরপর শার্দুল ঠাকুর খেলতে আসেন। শার্দুল আউট হলে রোহিত খেলতে আসেন। তিনি তৃতীয় বলটায় ছয় মারেন। ওদিকে ৪৯ তম ওভারে আসেন মাহমুদুল্লাহ বোলিং করেন।

শেষ ওভারে জেতার জন্য ভারতের ২০ রান প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশের হয়ে ওভারে বোলিং করেন মোস্তাফিজুর। প্রথম বল ডট দিয়ে দ্বিতীয় বলে চার মারেন রোহিত। ওভারের তৃতীয় বলে ফের চার হয় তাঁর। তবে শেষ তিনটি বলে ভারতের দলটি ছিল ১২ রান। মোস্তাফিজ ওদিকে ওভারের চতুর্থ বল ডট করেন। পঞ্চম বলে ছক্কা মারেন রোহিত। শেষ পর্যন্ত শেষ বলে ছয় রান প্রয়োজন হয়। কিন্তু ভারতের পক্ষে তা ছিল অসম্ভব। ফলতঃ জিতে যায় বাংলাদেশ।