এবারের T20 বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টের সুপার-৮ পর্বে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। এরপর, ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিক গেমসে (Olympics 2028) তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১২৮ বছর পর ক্রিকেটকে অলিম্পিক গেমসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওশিয়ানিয়া মহাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার জায়গায় অন্য দলকে অলিম্পিকে চান্স দেওয়া হবে।
অবশ্যই পড়ুন। T20 বিশ্বকাপ চলাকালীন মোটা অঙ্কের অফার পেলেন গৌতম গম্ভীর, কোচ এবং সিইও হওয়ার প্রস্তাব দিলো এই IPL ফ্র্যাঞ্চাইজি !!
অলিম্পিকে চান্স পাওয়ার কঠোর নিয়ম
১৯০০ সালে শেষবার অলিম্পিকে ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সেই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের পর পুনরায় ২০২৮ সালের অলিম্পিকে (Olympics 2028) ক্রিকেটকে সামিল করা হয়েছে। এবারের অলিম্পিকে প্রত্যেক মহাদেশ থেকে একটি করে দল সুযোগ পাবে এবং আয়োজক দেশও চান্স পাবে। সূত্রের খবর অনুসারে, ICC র্যাংকিং এবং আঞ্চলিক পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করেই দলগুলিকে চান্স দেওয়া হবে। এই কঠোর নিয়ম অস্ট্রেলিয়ার জন্য সমস্যা বাড়িয়েছে।
View this post on Instagram
র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া
২০২৬ সালের T20 বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়া উচ্চ র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান করছিল। কিন্তু, সুপার-৮ পর্বে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের র্যাঙ্কিংয়ে অবনতি ঘটেছে। আঞ্চলিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যদি কোনো দল চান্স পায়, তাহলে সেক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া কোনো সুযোগ পাবে না। বর্তমানে, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, আর এই সময়েই অস্ট্রেলিয়া তাদের ভালো অবস্থান হারিয়েছে।
ভালো পারফরমেন্স করছে নিউজিল্যান্ড

বর্তমানে, ওশিয়ানিয়া মহাদেশের মধ্যে নিউজিল্যান্ড একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে উঠে এসেছে। T20 বিশ্বকাপে কিউইদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং সুপার-৮ পর্বে পৌঁছানোর কৃতিত্ব সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। তারা যদি সুপার-৮ পর্বের পর সেমি ফাইনাল পর্বে যেতে পারে, তাহলে ICC র্যাঙ্কিংয়ে তারা খুব সহজেই অস্ট্রেলিয়ার আগে চলে যাবে। মহাদেশের মধ্যে ভালো পারফর্ম করা দ্বিতীয় দলে পরিণত হলে, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ২০২৮ সালের অলিম্পিকে (Olympics 2028) চান্স পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে।
