আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে ২০২৬ সালের T20 বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট। ইতিমধ্যেই, এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভারত সহ অন্যান্য দল। বাংলাদেশ এবারের T20 বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে ICC-র সঙ্গে একটি বিবাদে সরাসরি অবস্থান নিয়েছে, যা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুনভাবে উত্তেজিত করতে পারে।
নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে T20 বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার, পাকিস্তান তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এসবের মধ্যে, ভারতের বিরুদ্ধে ৩টি বড় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে PCB, যা শুধু ক্রিকেট মহল নয়, রাজনৈতিক সম্পর্কের উপরেও প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ালো পাকিস্তান
সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে ২০২৬ সালের T20 বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) বয়কট করতে পারে, যদি আন্তর্জাতিক কাউন্সিল (ICC) ভারতের অবস্থানের সাথে সমঝোতা না করে। যদিও এখন পর্যন্ত বয়কট নিশ্চিত হয়নি, এর মতো সম্ভাব্য ধরণের কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এটাকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে ধরলে, সুদূর কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক দিক থেকেও ভারতের বিরুদ্ধে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছে পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি ও সমর্থনের প্রচেষ্টা
ICC-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় পাকিস্তান বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়েছে, যা ভারতের অবস্থানের বিরুদ্ধে একটি স্থলভাগীয় প্রতিক্রিয়া। এই ধরনের কৌশল আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে চাপ গড়তে পারে — বিশেষ করে সেইসব দেশগুলোর সামনে যারা ভারতে T20 বিশ্বকাপ (T20 WC 2026) আয়োজনে অংশ নিচ্ছে বা নীতি নির্ধারণ করছে। PCB-র পাঠানো চিঠি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারতের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে যে, দক্ষিণ এশিয়ার ইস্যুগুলিতে ভারতের একতরফা সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও সমর্থন-ভিত্তিক মূল্যায়নে প্রশ্নাতীত নয়।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমঝোতা ও অবস্থান কঠোর করা
পাকিস্তানের এই ধরণের অবস্থান কেবলমাত্র খেলাধুলায় সীমাবদ্ধ নয়; এটাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের ভূমিকা দৃঢ় করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। পাকিস্তান বাংলাদেশকে সমর্থন করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি সংশোধিত রাজনৈতিক ন্যারেটিভ গড়ে তুলতে চাইছে, যাতে ভারত-নেতৃত্বাধীন সিদ্ধান্তসমূহ পুনর্বিবেচনা হয়।
এ ধরনের পদক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সামঞ্জস্যে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, এবং ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়ের অবস্থানকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিতে পারে।
