আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে ২০২৬ সালের T20 বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট। তার আগেই ক্রিকেটের সমস্ত ফরম্যাট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা উসমান খাজা (Usman Khawaja)। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অনেক নামকরা খেলোয়াড় আছেন যারা এই বছর অবসর নিতে পারেন। ২০২৪ সালে T20 এবং ২০২৫-এ টেস্ট ফরম্যাট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন টিম ইন্ডিয়ার ২ তারকা খেলোয়াড় বিরাট কোহলি (Virat Kohli) এবং রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)।
অনেক মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের (IND vs NZ) ওডিআই সিরিজের পর তারা এই ফরম্যাটকেও বিদায় জানাতে পারেন। এসবের মধ্যে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin) মুখ খুলেছেন, তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
দারুণ ছন্দে রয়েছেন রো-কো

বর্তমানে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি দুজনেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে চলেছেন। ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক ওডিআই সিরিজের শেষ ম্যাচে অপরাজিত ১২১ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন হিটম্যান। এই ম্যাচে বিরাট কোহলি ৭৪ রান করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচে ২০২ রান করে সিরিজের সেরা নির্বাচিত হন রোহিত। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে বিরাট কোহলি ৩ ম্যাচে ২টি সেঞ্চুরি সহ ৩০২ রান করে “ম্যান অব দ্যা সিরিজ” নির্বাচিত হন। ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বিজয় হাজারে ট্রফিতে অন্ধ্রপ্রদেশের বিপক্ষে ১৩১ রানের ইনিংস খেলেন কিং কোহলি। আর, সিকিমের বিরুদ্ধে ১৫৫ রানের ইনিংস খেলে শিরোনামে এসেছেন রোহিত শর্মা।
অবসর নিতে পারেন ২ তারকা
টিম ইন্ডিয়ার ২ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের আগেই অবসর নেবেন কিনা সেটা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। হেডকোচ গৌতম গম্ভীর এবং নির্বাচক অজিত আগরকার তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই কারণে মনে করা হচ্ছে ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের (IND vs NZ) ওডিআই সিরিজের পর চাপে পড়ে অবসর নিতে পারেন রো-কো।
এই ব্যাপারে নিজের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন খেলোয়াড় রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি জানিয়েছেন, “২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের পর ওডিআই ক্রিকেটের ভবিষ্যত সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। আমি সত্যিই চিন্তার মধ্যে আছি। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির জন্যেই বিজয় হাজারে ট্রফি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। আমি এই টুর্নামেন্ট উপভোগ করছি। কিন্তু সত্যিই সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফির প্রতি এতটা আগ্ৰহ হয়নি।”
