রঞ্জি ট্রফির চলতি রাউন্ডে ব্যাট ও বলের দাপটে রোমাঞ্চ ছড়াল একাধিক ম্যাচ। কোথাও স্পিনের জাদু, কোথাও আবার তরুণ ব্যাটসম্যানদের ঝলক। রাজস্থানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়েও মুম্বাই ঘুরে দাঁড়ায় যশস্বী জয়সওয়ালের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। তরুণ ওপেনার ১৫৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে ম্যাচটিকে নিরাপদ করে তোলেন। তাঁর সঙ্গে মুশির খানের ৬৩ রানের ইনিংস দলকে স্থিতি দেয়। মুম্বাই দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ২৬৯ রান তুলে হাত মেলায় রাজস্থানের সঙ্গে।
মহসিন খানের আগুনে বোলিংয়ে কর্ণাটক এক ইনিংস ও ১৬৪ রানের বিশাল জয়ে উড়ে গেল কেরালাকে। মাত্র ২৩.৩ ওভারে ২৯ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন ২২ বছর বয়সী অফস্পিনার মহসিন। কেরালা ফলো-অনে ৭৯.৩ ওভারে গুটিয়ে যায়। প্রথম দিন খেলা না হলেও ম্যাচে উত্তেজনার অভাব ছিল না। গুজরাটের ১৩৭ রানের জবাবে হরিয়াণা ৬ উইকেটে ৬২ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নেয়। নিখিল কাশ্যপ নেন ৪ উইকেট, পার্থ ভাটস ও যশবর্ধন দালালের জুটিতে আসে জয়ের হাসি।
রঞ্জি ট্রফিতে ঝড় তুললেন যশস্বী জয়সওয়াল
৩৪৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হায়দ্রাবাদকে জয় এনে দেন অভিরথ রেড্ডি। তাঁর অপরাজিত ১৭৫ রানের ইনিংস এবং রাহুল রাদেশের (৬৬) সঙ্গী হয়ে করা শতরান জুটি দলকে ৭৫.৩ ওভারে জয় এনে দেয় হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে। ওড়িশাকে ইনিংস ও ৫০ রানে হারাল অন্ধ্র। সৌরভ কুমার ও ত্রিপুরাণা বিজয় ছয়টি করে উইকেট নেন। অন্যদিকে, অনুকুল রায় (৫ উইকেট) ও মনীষীর (৪ উইকেট) জোড়া আঘাতে নাগাল্যান্ডকে ইনিংস ও ১৯৬ রানে হারিয়ে দেয় ঝাড়খণ্ড।
দিল্লির হয়ে অর্পিত রানার ক্যারিয়ারসেরা ১৭০* ও সনত সাংওয়ানের ১২২* রানের ইনিংসে ম্যাচ ড্র। ত্রিপুরার হয়ে হনুমা বিহারীর ১৪১ ও মণিশঙ্কর মুরাসিংহের ১০২* রানে বাংলার বিপক্ষে সম্মানজনক ড্র। ছত্তিশগড়ের অমনদীপ খার ১৫৬ রান করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস লিড নিশ্চিত করেন। রেলওয়ের আদর্শ সিং ৬ উইকেট নিয়ে আসামকে চাপে রাখেন। মধ্যপ্রদেশের কুমার কার্তিকেয় ৪ উইকেট, আরিয়ান পান্ডে ও আরশাদ খান ৩টি করে উইকেট নিয়ে চণ্ডীগড়কে ৩১০ রানে থামান।
